অল্প টাকায় দেহের পরীক্ষা নিরিক্ষা
অল্প টাকায় দেহের পরীক্ষা নিরিক্ষা গুলো হচ্ছে : দেহের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা হলো রক্ত, মূত্র, মল বা টিস্যুর নমুনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। প্রধান পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ রক্ত গণনা (CBC), সুগার, লিপিড প্রোফাইল, লিভার ও কিডনি ফাংশন টেস্ট, থাইরয়েড পরীক্ষা, এবং আণুবীক্ষণিক মাইক্রোবায়োলজি বা বায়োপসি টেস্ট।
প্রধান প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা সমূহ:
- হেমাটোলজি (রক্ত পরীক্ষা):
- সম্পূর্ণ রক্ত গণনা (CBC): রক্তাল্পতা, সংক্রমণ বা শ্বেত রক্তকণিকা পরীক্ষার জন্য।
- ESR: শরীরে প্রদাহ নির্ণয়ে।
- রক্তের গ্রুপ ও আরএইচ ফ্যাক্টর।
- প্রোথ্রোম্বিন সময় (PT/INR): রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা পরীক্ষার জন্য।
- বায়োকেমিস্ট্রি (রক্তের রাসায়নিক পরীক্ষা):
- রক্তের গ্লুকোজ (FBS, 2ABF, HbA1c): ডায়াবেটিস নির্ণয়।
- লিপিড প্রোফাইল: কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড পরীক্ষা।
- লিভার ফাংশন টেস্ট (LFT): বিলিরুবিন, SGPT, SGOT, অ্যালবুমিন।
- কিডনি ফাংশন টেস্ট (KFT/RFT): সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড।
- ইলেক্ট্রোলাইটস প্যানেল (সোডিয়াম, পটাশিয়াম)।
- ইউরিন ও স্টুল টেস্ট:
- ইউরিন রুটিন এক্সামিনেশন (R/E) (ইউরিন আর/ই): প্রস্রাবের ইনফেকশন, প্রোটিন বা সুগার পরীক্ষা [২]।
- স্টুল রুটিন এক্সামিনেশন (R/E) (মল পরীক্ষা): পরজীবী বা রক্তপাত পরীক্ষা [২]।
- মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি:
- কালচার ও সেন্সিটিভিটি টেস্ট: ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণ নির্ণয় [৮]।
- থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট (T3, T4, TSH) [১]।
- ভাইরাল মার্কার: হেপাটাইটিস বি (HBsAg), এইচআইভি (HIV) [৮]।
- CRP (সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন): প্রদাহের তীব্রতা নির্ধারণ [৩]।
- হিস্টোপ্যাথলজি ও সাইটোলজি:
- বায়োপসি: টিস্যু বা টিউমারের নমুনা পরীক্ষা [২]।
- FNAC (ফাইন নিডল অ্যাস্পিরেশন সাইটোলজি): কোষের অস্বাভাবিকতা পরীক্ষা [৪]।
এই পরীক্ষাগুলো রোগের কারণ, ধরন এবং সঠিক চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ধারণে চিকিৎসকদের সাহায্য করে [২, ৫]।
CBC টেস্ট সমূহ
CBC (Complete Blood Count) বা সম্পূর্ণ রক্ত কণিকা গণনা একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষা, যা শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন, রক্তাল্পতা (Anemia), সংক্রমণ (Infection), লিউকেমিয়া এবং অন্যান্য রক্তের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় [১, ৩, ৫, ১১]। এটি মূলত রক্তের প্রধান তিনটি উপাদান—লোহিত রক্তকণিকা (RBC), শ্বেত রক্তকণিকা (WBC), এবং অণুচক্রিকা (Platelets) এর সংখ্যা ও আকার পরিমাপ করে [১, ১০]।
CBC টেস্টের প্রধান উপাদানসমূহ:
- লোহিত রক্তকণিকা (RBC Count): রক্তে লোহিত রক্তকণিকার মোট সংখ্যা [৭, ১২]।
- হিমোগ্লোবিন (Hb): লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত প্রোটিন, যা অক্সিজেন বহন করে [২, ৭]।
- হেমাটোক্রিট (Hct): মোট রক্তের আয়তনে লোহিত রক্তকণিকার শতকরা পরিমাণ [২, ৭]।
- শ্বেত রক্তকণিকা (WBC Count): সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করা কোষের সংখ্যা [১, ২]।
- WBC ডিফারেন্সিয়াল (Differential): পাঁচ ধরনের শ্বেত রক্তকণিকার (Neutrophils, Lymphocytes, Monocytes, Eosinophils, Basophils) আলাদা সংখ্যা [৩, ১০]।
- অণুচক্রিকা (Platelets Count): রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে [১, ২]।
- RBC ইনডেক্স (Indices): যেমন MCV, MCH, MCHC, যা লোহিত রক্তকণিকার আকার ও হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব নির্দেশ করে [১২]।
কেন CBC টেস্ট করা হয়?
- সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা: বার্ষিক চেকআপের অংশ হিসেবে [১]।
- রোগ নির্ণয়: রক্তাল্পতা, প্রদাহ বা ক্যান্সারের মতো রোগ সনাক্তকরণ [৫, ৬]।
- লক্ষণ পর্যবেক্ষণ: ক্লান্তি, দুর্বলতা, জ্বর, বা রক্তপাতের কারণ খুঁজে বের করতে [৮]।
- চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ: কেমোথেরাপি বা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিরীক্ষণ [৫, ৮]।
TC টেস্ট
TC (Total Count) বা Total Leukocyte Count (TLC) একটি রক্ত পরীক্ষা যা শরীরের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করা শ্বেত রক্তকণিকার (WBC) মোট সংখ্যা পরিমাপ করে। এটি সাধারণত Hb, DC এবং ESR-এর সাথে একটি সম্পূর্ণ রক্তচিত্র (CBC) বা রুটিন চেকআপের অংশ হিসেবে করা হয়, যা ইনফেকশন, প্রদাহ বা অসুস্থতা নির্ণয়ে সহায়তা করে [৪, ১১]।
TC টেস্ট সম্পর্কে বিস্তারিত:
- উদ্দেশ্য: শরীরে কোনো সংক্রমণ (Infection), প্রদাহ (Inflammation), রক্তাল্পতা (Anemia) বা অন্য কোনো রোগ আছে কি না তা বোঝার জন্য এটি করা হয় ।
- স্বাভাবিক মাত্রা: সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে TC বা মোট শ্বেত রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যা সাধারণত
থেকে
প্রতি কিউবিক মিলিমিটার (
) রক্তে ধরা হয় ।
- অস্বাভাবিক ফলাফল:
- বেশি হওয়া (High TC): সংক্রমণ (infection), প্রদাহ, বা টিস্যু ড্যামেজ নির্দেশ করে Sasthya Seba [৪]।
- কম হওয়া (Low TC): ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, অস্থিমজ্জার সমস্যা বা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নির্দেশ করতে পারে।
- প্রক্রিয়া: এটি একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষা, যেখানে হাত থেকে রক্তের নমুনা নেওয়া হয় [৪]।
DC টেস্ট
ডিফারেনশিয়াল কাউন্ট (DC) টেস্ট হলো একটি রক্তের পরীক্ষা যা শ্বেত রক্তকণিকার (WBC) পাঁচটি প্রধান ধরন—নিউট্রোফিল, লিম্ফোসাইট, মনোসাইট, ইয়োসিনোফিল এবং ব্যাসোফিল—এর শতাংশ পরিমাপ করে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, সংক্রমণ, প্রদাহ বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যা সনাক্ত করতে সাহায্য করে।
DC টেস্টের মূল বিষয়সমূহ:
- শ্বেত রক্তকণিকার ধরন:
- Neutrophils (নিউট্রোফিল): ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
- Lymphocytes (লিম্ফোসাইট): ভাইরাস এবং ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- Monocytes (মনোসাইট): জীবাণু এবং মৃত কোষ ধ্বংস করে।
- Eosinophils (ইয়োসিনোফিল): পরজীবী সংক্রমণ এবং অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
- Basophils (ব্যাসোফিল): অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া এবং হাঁপানির সময় এনজাইম নির্গত করে।
- কেন করা হয়: সংক্রমণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বা প্রদাহজনিত লক্ষণগুলি পরীক্ষা করতে এটি ডাক্তাররা পরামর্শ দেন।
- ফলাফল: এই টেস্টের মাধ্যমে শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক সংখ্যা সনাক্ত করে সংক্রমণ বা রোগের কারণ নির্ণয় করা হয়।
Hemoglobin টেস্ট
হিমোগ্লোবিন টেস্ট (Hemoglobin Test) লোহিত রক্তকণিকায় আয়রন সমৃদ্ধ প্রোটিনের মাত্রা পরিমাপ করে, যা ফুসফুস থেকে সারা শরীরে অক্সিজেন বহন করে। এটি মূলত রক্তাল্পতা (Anemia) বা আয়রনের ঘাটতি, রক্তক্ষরণ, এবং দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এই টেস্টের মাধ্যমে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, এবং ফ্যাকাশে ত্বকের মতো উপসর্গের কারণ নির্ণয় করা যায়।
হিমোগ্লোবিন টেস্টের বিস্তারিত তথ্য:
- টেস্টের উদ্দেশ্য: রক্তাল্পতা, থ্যালাসেমিয়া, বা অন্যান্য রক্ত ব্যাধি, এবং দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের ঝুঁকি বা অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা।
- স্বাভাবিক মাত্রা:
- পুরুষ: ১৩.৫ থেকে ১৭.৫ গ্রাম/ডিএল (g/dL)।
- নারী: ১২.০ থেকে ১৫.৫ গ্রাম/ডিএল (g/dL)।
- পরীক্ষা পদ্ধতি: সাধারণত হাতের শিরা থেকে রক্তের নমুনা নেওয়া হয়, অথবা আঙুলে প্রিক (Prick) করে দ্রুত পরীক্ষা করা যায়।
- কম হিমোগ্লোবিন (Anemia): রক্তে অক্সিজেনের অভাব নির্দেশ করে, যা ক্লান্তি ও দুর্বলতার কারণ হতে পারে।
- বেশি হিমোগ্লোবিন: পানিশূন্যতা, ফুসফুসের রোগ (COPD), বা ধূমপানের কারণে হতে পারে।
ESRটেস্ট
ESR (Erythrocyte Sedimentation Rate) টেস্ট হলো একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষা যা আপনার শরীরে কোনো ধরনের প্রদাহ (Inflammation) বা ইনফেকশন আছে কিনা তা শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি কেন করা হয়?
ডাক্তাররা সাধারণত নিচের কারণগুলোতে এই টেস্ট করার পরামর্শ দেন:
- শরীরে কোনো ইনফেকশন বা সংক্রমণ হয়েছে কিনা বুঝতে।
- বাতের ব্যথা (Arthritis) বা অটোইমিউন রোগের মাত্রা পরীক্ষা করতে।
- অব্যক্ত জ্বর, পেশিতে ব্যথা বা হাড়ের জয়েন্টে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করতে।
- কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসার কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করতে।
ESR-এর স্বাভাবিক মাত্রা (Normal Range)
বয়স এবং লিঙ্গভেদে এর মান ভিন্ন হতে পারে:
- পুরুষ (৫০ বছরের নিচে): ০-১৫ mm/hr।
- পুরুষ (৫০ বছরের উপরে): ০-২০ mm/hr।
- মহিলা (৫০ বছরের নিচে): ০-২০ mm/hr।
- মহিলা (৫০ বছরের উপরে): ০-৩০ mm/hr।
ESR বেড়ে যাওয়ার কারণ
যদি রিপোর্টে ESR-এর মাত্রা বেশি থাকে, তবে এর সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে:
- ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসজনিত ইনফেকশন।
- বাতের সমস্যা (যেমন: Rheumatoid Arthritis)।
- রক্তশূন্যতা (Anemia)।
- গর্ভাবস্থা বা ঋতুচক্রের সময়।
- কিডনি বা থাইরয়েডের সমস্যা।
সতর্কতা: ESR টেস্ট নিজে কোনো রোগ নিশ্চিত করে না; এটি কেবল শরীরে সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আরও কিছু পরীক্ষার (যেমন: CRP Test) প্রয়োজন হতে পারে।
ESRটেস্ট ন্যূনতম খরচে
HRTD Limited Diagnostic Center, Abdul Ali Madbor Mansion (3rd Floor), Section-6, Block-Kha, Road-1, Plot-11, Metro Rail Piller No. 249, Mirpur-10 Golchattar, Dhaka-1216. Mobile Phone Number 01797522136, 01987073965. All pathological Tests, including ESR, are available here at the lowest cost.
এইচআরটিডি লিমিটেড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আব্দুল আলী মাদবর ম্যানশন (৪র্থ তলা), সেকশন-৬, ব্লক-খা, রোড-১, প্লট-১১, মেট্রো রেল পিলার নং ২৪৯, মিরপুর-১০ গোলচত্বর, ঢাকা-১২১৬। মোবাইল ফোন নম্বর ০১৭৯৭৫২২১৩৬, ০১৯৮৭০৭৩৯৬৫। এখানে ESR সহ সকল প্যাথলজিক্যাল টেস্ট ন্যূনতম খরচে পাওয়া যায়।
HbA1c টেস্ট
HbA1c টেস্ট (গ্লাইকেটেড হিমোগ্লোবিন) হলো গত ২-৩ মাসের গড় রক্তে শর্করার মাত্রা পরিমাপের একটি নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা, যা মূলত ডায়াবেটিস নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণের জন্য করা হয় [৩, ৪, ৭]। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের সাথে লেগে থাকা গ্লুকোজের শতাংশ দেখায় [৩, ৮]। উপবাস বা খালি পেটে থাকার প্রয়োজন নেই এবং দিনের যেকোনো সময় এই টেস্ট করা যায় [১২]।
HbA1c ফলাফল বোঝার উপায় [২, ১০]:
- স্বাভাবিক (Normal): ৫.৭% এর কম (ডায়াবেটিসের ঝুঁকি নেই)।
- প্রি-ডায়াবেটিস (Pre-diabetes): ৫.৭% থেকে ৬.৪% (ডায়াবেটিসের ঝুঁকি আছে)।
- ডায়াবেটিস (Diabetes): ৬.৫% বা তার বেশি (ডায়াবেটিস নির্দেশ করে)।
HbA1c টেস্টের প্রধান দিকসমূহ:
- ৩ মাসের গড়: এটি শুধুমাত্র দিনের নির্দিষ্ট সময়ের সুগার নয়, বরং গত ৮-১২ সপ্তাহের গড় অবস্থা নির্দেশ করে [৫, ১২]।
- ব্যবহার: ডায়াবেটিস নির্ণয়, ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ এবং চিকিৎসায় ডায়াবেটিস কতটা নিয়ন্ত্রণে আছে তা দেখতে এটি ব্যবহুত হয় [৮]।
- সীমাবদ্ধতা: হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া, সিকেল সেল বা থ্যালাসেমিয়ার মতো রক্তকণিকার সমস্যায় এর ফলাফল ভুল আসতে পারে [৯]।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ডায়াবেটিস রোগীদের সাধারণত প্রতি ৩-৬ মাসে একবার এই টেস্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয় [৯]।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই টেস্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ উচ্চ HbA1c মাত্রা হৃদরোগ, কিডনি বা চোখের ঝুঁকির সংকেত দেয় [১]।
HbA1c টেস্ট ন্যূনতম খরচে
HRTD Limited Diagnostic Center, Abdul Ali Madbor Mansion (3rd Floor), Section-6, Block-Kha, Road-1, Plot-11, Metro Rail Piller No. 249, Mirpur-10 Golchattar, Dhaka-1216. Mobile Phone Number 01797522136, 01987073965. All pathological Tests are available here at the minimum cost.
এইচআরটিডি লিমিটেড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আব্দুল আলী মাদবর ম্যানশন (৪র্থ তলা), সেকশন-৬, ব্লক-খা, রোড-১, প্লট-১১, মেট্রো রেল পিলার নং ২৪৯, মিরপুর-১০ গোলচত্বর, ঢাকা-১২১৬। মোবাইল ফোন নম্বর ০১৭৯৭৫২২১৩৬, ০১৯৮৭০৭৩৯৬৫। এখানে সকল প্যাথলজিক্যাল টেস্ট ন্যূনতম খরচে পাওয়া যায়।
HRTD Medical Institute